খুঁজুন
, ,

পাকিস্তানকে কোন পথে নেবে ঘৃণা আর গুলির রাজনীতি

লেখা: আনসার আব্বাসি
প্রকাশিত: Sunday, 3 November, 2024, 12:19 am
পাকিস্তানকে কোন পথে নেবে ঘৃণা আর গুলির রাজনীতি

জনসমাবেশে আলী আমিন গান্ডাপুর ফাইল ছবি: এএফপি

আর কী বাকি ছিল? এখন তো ইমরান খানের পছন্দের মুখ্যমন্ত্রী খাইবার পাখতুনখাওয়ার আলী আমিন গান্ডাপুর এক গুলির বিনিময়ে ১০ গুলি চালানোর ধমকি দিয়েছেন। এর ফল খুব সুবিধার কিছু হবে না। খাইবার অঞ্চল গোত্রভিত্তিক সহিংসতার জন্য বিখ্যাত। এর ফলে পুরো খাইবার অঞ্চল এখন এক গোত্রভিত্তিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়ে যাবে বলে মনে করার কারণ আছে। অতীত তো তাই বলে। আর তা হলে পুরো প্রদেশে তা ছড়াতে সময় লাগবে না।

এর জন্য ইমরান খানের পক্ষ থেকে আলী আমিন শাবাশ পাচ্ছেন। সেই সঙ্গে আলী আমিন প্রতিদিন আরও বড় সংঘাতের দিকে এগোচ্ছেন। এর পরিণতি যে কী হবে, তা যে কেউ আন্দাজ করতে পারেন। যে গুলি করবে, সে পাল্টা গুলি খাবে—এই ধমকি পাঠান গোত্রের ইংরেজ আমলের কথা বলে মনে হয়। এই সময় এই কালে এ কোন ধরনের রাজনীতির বার্তা?

স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, ৯ মের পর ইমরান খান আর তাঁর তেহরিক–ই–ইনসাফ কোনো শিক্ষা নেয়নি। এরপর যেসব সমস্যা আর নির্যাতন তাঁদের ওপর নেমে এসেছে, তা থেকে দলের নেতারা কি কম শিক্ষা নেবেন না?

দেশের ভেতরে গৃহযুদ্ধ লাগানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারলে দেশের সব প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়বে। দুর্বল হবে শাসনব্যবস্থা। এতে হয়তো কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা দলের সুবিধা হবে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সুযোগ বাড়ানোর জন্য এমন করা কি কোনো রাজনৈতিক কৌশল বলে মেনে নেওয়া যায়?

 

আলী আমিন আসলে কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, ‘আগেও দেশে আমাদের মর্যাদা লঙ্ঘিত হয়েছে। এ দেশের জন্য আমাদের আত্মত্যাগ কে অস্বীকার করতে পারে? তা–ও করা হয়েছে। এখন আমাদের ওপর গুলিও করা হচ্ছে। আজ আমার দুই কর্মীকে গুলি করা হয়েছে। আমাদের ওপর সরাসরি শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আমাদের ৫০ জন কর্মী। পাঞ্জাবের সীমান্তে প্রতি তিন কিলোমিটার অন্তর আমাদের ওপর গুলি আর শেল বর্ষণ করা হয়েছে।’ এরপরই তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে এর পর থেকে কেউ তাঁর কর্মীদের ওপর একটা গুলি ছুড়লে পাল্টা ১০টা গুলি ছোড়া হবে।

ভিডিও বক্তৃতায় আলী আমিন যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে বর্তমান সরকার অস্বস্তিতে পড়বে, তা খুব স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। ফেডারেল তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এই বার্তা পেয়ে বলেছেন, ইসলামাবাদে, পাঞ্জাবে সৈন্য পাঠিয়ে কি মুখ্যমন্ত্রী ৯ মের পুনরাবৃত্তি করতে চান?

আরও অনেক দল তো রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কিন্তু তাদের কেউ তো ৯ মে ঘটায়নি। কেউ তো এক গুলির বদলে ১০ গুলি চালানোর ধমকি দেয়নি। তেহরিক–ই–ইনসাফের লোকেরা তো আগেই ইমরান খানকে ভালোবাসা আর অন্যদের ঘৃণা করা সমার্থক বলে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন। ইমরান খানকে ভালোবাসতে গিয়ে তাঁরা নিজের দেশকে পেছনে ফেলে দিচ্ছেন না তো? আর তা কি শুধু নিজের রাজনীতির যেন ফায়দা হয়, এ জন্য?

যত কিছুই হোক, নিজের দেশকে বিপদের মধ্যে দেখে কেউ কি খুশি হতে পারে! দেশের জন্য ভালো খবর এলে নাখোশ হওয়া! দেশের জন্য নেতিবাচক কিছুতে আপনি উচ্ছ্বসিত হবেন, শুধু এ কারণে যে এতে আপনার রাজনৈতিক ফায়দা হতে পারে।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দেশের জন্য কোনো ইতিবাচক প্রয়াস যদি পরিলক্ষিত হয়, আর তা যদি করে আপনার বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি, তাহলে আপনার প্রতিক্রিয়া কী হবে? আপনি কি এটা শুধু বিরোধিতার খাতিরেই বিরোধিতা করবেন?

তবে এখন পাকিস্তানে এমনও হয়েছে যে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশকে দেউলিয়া বানানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর প্রমাণ আছে। কিন্তু তাতে সংশ্লিষ্টদের কোনো লজ্জা নেই।

 

এ কেমন রাজনীতি, যা নিজের দলের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশের জন্য নেতিবাচক কিছু হলে খুশি হয়? দেশ যদি দেউলিয়া হয়, তাহলে ক্ষতি তো দেশের সাধারণ মানুষের, তা এর সঙ্গে যে দলেরই সংযোগ থাকুক না কেন।

দেশের ভেতরে গৃহযুদ্ধ লাগানোর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারলে দেশের সব প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়বে। দুর্বল হবে শাসনব্যবস্থা। এতে হয়তো কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা দলের সুবিধা হবে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সুযোগ বাড়ানোর জন্য এমন করা কি কোনো রাজনৈতিক কৌশল বলে মেনে নেওয়া যায়?

  • আনসার আব্বাসি সাংবাদিকপাকিস্তানের দৈনিক পত্রিকা জঙ্গ থেকে নেওয়া ।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।