খুঁজুন
, ,

কুড়িগ্রামে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন’২৫ উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কর্মশালা

মোঃ জাকারিয়া হোসেন,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন’২৫ উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কর্মশালা

“শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামুলক প্রচার কার্যক্রম” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর আর্থিক সহায়তায় কুড়িগ্রামে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ উপলক্ষ্যে

গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে জেলা পর্যায়ে পরামর্শমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর’২৫ সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সম্মেলন কক্ষে এ ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস।
কুড়িগ্রাম জেলা তথ্য অফিসার মোঃ শাহজাহান আলীর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর,ঢাকার উপপরিচালক রিয়াদুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ইউনিসেফ রংপুর বিভাগের প্রতিনিধি ডা.মাহমুদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক ইউনুছ আলী,এনটিভি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি হাসিবুর রহমান হাসিব,মাই টিভি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি এস.এম আশরাফুল হক রুবেল, জেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি সহকারী অধ্যাপক অনিরুদ্ধ রেজা, সিনিয়র সাংবাদিক ফজলে রাব্বি এন্টনী,জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আসন্ন এ টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন সময়কাল ১২ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর-২৫ পর্যন্ত মোট ১৮ কার্যদিবস চলমান থাকবে বলে সিভিল সার্জন সূত্র অবহিত করে।
জেলা সিভিল সার্জন স্বপন কুমার বিশ্বাস তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা সাংবাদিক সমাজের দর্পণ। তাই আপনারা টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন জোরালোভাবে প্রচার করবেন।
কর্মশালায় জেলা প্রেসক্লাবে সভাপতি সহকারী অধ্যাপক অনিরুদ্ধ রেজা বলেন, ২০২৫ এর এই টাইফয়েড টিকা দান ক্যাম্পেইনে কুড়িগ্রাম জেলার কোন শিশু যেন টিকার বহির্ভূত না থাকে সে বিষয়ে জোরালো প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।
এসময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কাউট ও রোভার স্কাউটস এর সদস্যরা প্রচার ও সহযোগিতা করবে বলে কর্মশালায় অবহিত করা হয়।

তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্তে রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীর মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্তে রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীর মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি ২৭ অক্টোবর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের তার বাসার নিচ থেকে একসাথে দীপ নামের এক যুবকের সঙ্গে মোটরসাইকেলে বের হন। এরপর তিনি উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের একটি বারে এক তরুণীর সঙ্গে প্রবেশ করেন, যেখানে দুজনের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। কয়েক ঘণ্টা পর সাউরি ওই তরুণীকে মোটরসাইকেলে নিয়ে তার বাসার সামনে নামিয়ে দেন।

দীপ ও তরুণীর কথাবার্তা যাচাই করার জন্য নৌ পুলিশ তাদের রিমান্ডে রেখে চার দিন ধরে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের গণমাধ্যম শাখার সুপারভাইজার মাসুমা আক্তার জানালেন, “দীপ ও তরুণীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।” বর্তমানে নৌ পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিডিও রেকর্ড এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

দীপের বিবরণে তিনি জানান, রাত্রিকালীন সময়ে দুইজন পুলিশ সদস্যের ইউনিফর্ম পরা ব্যক্তিকে দেখে তিনি ও সাউরি দুদিকে দৌড়ে পালিয়ে যান। তিনি তুরাগ নদীর তীরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পিলার পাশে লুকিয়ে থাকেন। পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি সাউরির সঙ্গে ছিলেন বলে স্বীকার করেন, তবে পুলিশ তাকে আর কোনো প্রশ্ন না করে চলে যেতে দেন।

সাউরির শেষ যোগাযোগের রেকর্ডে দেখা যায়, রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তিনি তার মায়ের মোবাইলে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে জানান, “আসতেছি, রওনা দিছি।” একই রাত্রিতে দীপ মোহাম্মদপুরে ভাড়া বাসার দারোয়ানকে ফোন করে জানায়, তার আসতে দেরি হবে। এরপর দীপ রাতের অর্ধেকের দিকে বাসায় ফিরে যান।

তদন্তে জানা যায়, নৌ পুলিশ টঙ্গীর মাজার রোডের বস্তি এলাকায় ঘোরাঘুরি করা ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নৌ পুলিশ ইতিমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহে মনোনিবেশ করেছে।

এই মামলায় নৌ পুলিশ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা চালু রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য প্রকাশের আশা করা হচ্ছে।

দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল‑সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড দান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল‑সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড দান

একটি রাজনৈতিক প্রচার শিবিরের ঘোষণায় জানা গেছে, দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনেই আল‑সাইয়েদের নির্বাচনী তহবিলে ঐতিহাসিক মাত্রায় অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। শিবিরের মুখপাত্রের মতে, এই দিনেই ৬৫,০০০েরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থক তহবিলে অর্থ প্রদান করেছেন, যা পূর্বের কোনো রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তহবিল সংগ্রহের প্রচারাভিযানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল। সামাজিক মাধ্যম, স্থানীয় সভা ও ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে দাতাদের উৎসাহিত করা হয়েছিল, ফলে বিশাল সংখ্যক মানুষ একত্রিত হয়ে তহবিলে অবদান রেখেছেন। তহবিলের মোট পরিমাণ ও দানের গড় পরিমাণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ না করা হলেও, দাতাদের সংখ্যা ও রেকর্ড দানের উল্লেখই এই সংগ্রহের বিশালতা প্রকাশ করে।

দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর ঘটনাটি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যদিও সমর্থন হারানোর কারণ ও প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে, তবুও আল‑সাইয়েদের তহবিল সংগ্রহের এই সাফল্য তার রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তহবিলের এই রেকর্ড পরিমাণের মাধ্যমে তিনি তার নির্বাচনী প্রচারকে আরও বিস্তৃত করতে সক্ষম হবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

প্রচার শিবিরের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেছেন, দাতাদের উৎসাহিত করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জনসাধারণের অংশগ্রহণ বাড়ানো। তহবিল সংগ্রহের সময় দাতাদের পরিচয় যাচাই করা হয়েছে এবং সকল অর্থনৈতিক লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অনিয়মের সম্ভাবনা না থাকে।

এই রেকর্ড দানকে নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মন্তব্যকারীরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করছেন। কেউ কেউ এটিকে আল‑সাইয়েদের জনপ্রিয়তা ও সমর্থন বৃদ্ধির সূচক হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা এটিকে সমর্থন হারানোর পর দ্রুত আর্থিক সমর্থন গড়ে তোলার একটি কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তবে স্পষ্ট যে, এই ধরনের বৃহৎ তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করার সম্ভাবনা বাড়ছে।

অধিকন্তু, তহবিল সংগ্রহের এই রেকর্ডের ফলে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরাও তাদের তহবিল সংগ্রহের কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হতে পারে। তহবিলের স্বচ্ছতা, দাতাদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দ্রুত অর্থ সংগ্রহের ক্ষমতা এখন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনেই আল‑সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড দান ঘটেছে, যা তার রাজনৈতিক অবস্থানকে পুনরায় শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। ভবিষ্যতে এই তহবিল কীভাবে ব্যবহার করা হবে এবং তার নির্বাচনী ফলাফলে কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই প্রকাশ করবে।

গ্যাসের দাম না কমলে কঠোর প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
গ্যাসের দাম না কমলে কঠোর প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গ্যাসের দাম না কমলে কঠোর প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে আওয়ামী লীগ শাসনকালে সরকার রাতের বেলায় পণ্যের দাম বৃদ্ধি করত, আর এখন সরকারী কর্মকর্তারাও একই পথে অগ্রসর হচ্ছেন। পাটওয়ারীর মতে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি আর্থিক চাপের নতুন মাত্রা তৈরি করবে।

পাটওয়ারী গ্যাসের দামের হঠাৎ বৃদ্ধি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে বলেন, সরকারকে অবিলম্বে গ্যাসের দাম কমিয়ে গণবিরোধী নীতি থেকে সরে আসতে হবে। তিনি এও উল্লেখ করেন যে, গ্যাসের দাম না কমলে এনসিপি তার সদস্য ও সমর্থকদের সঙ্গে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই হুঁশিয়ারি সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে দেওয়া হয়। সমাবেশে উপস্থিত সদস্যরা গ্যাসের দামের হ্রাসের দাবি জানিয়ে একত্রিত হয়েছেন।

সমাবেশে পাটওয়ারীর সঙ্গে অন্যান্য এনসিপি নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা গ্যাসের দামের হ্রাসের পাশাপাশি সরকারকে আর্থিক নীতি পুনর্বিবেচনা করতে আহ্বান জানান। পাটওয়ারী বলেন, গ্যাসের দাম না কমলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং তা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ ও শিল্পখাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সরকারকে দুর্বল করে তুলবে এবং জনগণের আস্থা হ্রাস পাবে।

গ্যাসের দামের বৃদ্ধি সম্পর্কে সরকারী দিক থেকে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, জ্বালানি রপ্তানি ও আমদানি নীতির পরিবর্তন ইত্যাদি কারণ থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবুও, পাটওয়ারীর মতামত অনুযায়ী, সরকারকে জনগণের মৌলিক চাহিদা বিবেচনা করে দামের হ্রাসের দিকে অগ্রসর হতে হবে, নইলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে।

এনসিপি নেতাদের হুঁশিয়ারির পর, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন যে, গ্যাসের দাম না কমলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা দেখা দিতে পারে। তারা উল্লেখ করেন, গ্যাসের দাম বাড়ানো একটি সংবেদনশীল বিষয়, যা সরাসরি গৃহস্থালির ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং শিল্প উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। তাই, সরকারকে এই বিষয়টি সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, নতুবা বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকে কঠোর প্রতিবাদ ও আন্দোলনের ঝুঁকি বাড়বে।

অবশেষে, পাটওয়ারী ও তার দলের হুঁশিয়ারির মূল উদ্দেশ্য স্পষ্ট: গ্যাসের দাম হ্রাসের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং সরকারের নীতি পরিবর্তনে চাপ সৃষ্টি করা। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, যদি সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে এনসিপি কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তার দাবিগুলোকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে গ্যাসের দামের হ্রাসের পাশাপাশি সামগ্রিক মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সর্বশেষ
তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্তে রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীর মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল‑সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড দান গ্যাসের দাম না কমলে কঠোর প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় নয়: পুলিশ গাজীপুর ও সাভারে টানা তিন দিন বিক্ষোভ: বন্ধ চার শতাধিক কারখানা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ছয় মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭১৯ টাকা জেলহত্যা দিবস আজ: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে জাতীয় চার নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর বিমান সংক্রান্ত পুনরাবৃত্ত ত্রুটি নিয়ে পার্লামেন্টের স্থায়ী কমিটি তদন্তে এগিয়ে চীনের সিনচিয়াংয়ে বিশাল জিরকন বালু মজুদের আবিষ্কার
Advertisement