খুঁজুন
, ,

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পর্তুগাল শাখার আয়োজনে দলীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত 

নাসিম আহমেদ রিয়াদ, নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পর্তুগাল শাখার আয়োজনে দলীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত 
পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল আহমদ এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শামসুজ্জামান জামান এর সঞ্চালনায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা জনাব মাহিদুর রহমান। প্রথমেই পবিত্র কোরআান থেকে তেলাওয়াত পাঠ করেন পর্তুগাল বিএনপির সদস্য জামিল মিয়া।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহিদুর রহমান দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করে বলেন এই দল প্রতিষ্ঠা না হলে বাংলাদেশ কোন দিন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হত না, বিএনপিই এক মাত্র রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র পরিচালনায় সফল ছিল, তাই আজকের এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পর্তুগাল বিএনপি আয়োজন করায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন পর্তুগাল বিএনপিকে আজ পৃথিবীতে পরিচয় করিয়েছে পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার, সদস্য সচিব ছায়েফ আহমেদ সুইট, যুগ্ম আহবায়ক শেখ খালেদ আহমেদ মিনহাজ ও মন্জুরুল হোসেন জিন্নাহ, তারা প্রথমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল পরবর্তীতে তাদের সাথে আরও কিছু সংখ্যক নেতৃবৃন্দ যুক্ত হয়েছিল। আগামী দিনের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তারা থাকবেন না৷
তিনি আরও বলেন আগামীতে পর্তুগাল বিএনপির যে পূর্নাঙ্গ কমিটি আসবে পর্তুগালে বসবাসরত নেতৃবৃন্দের নিয়ে গঠিত হবে, তাই আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে পর্তুগাল বিএনপিকে সু সংগঠিত করবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে দলের আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার বলেন ৫ ই আগস্টের পরে দলের পদ পদবীতে আসার জন্য মানুষ পাগল হয়ে গেছে, সকালে এক ধরনের রুপ নেয় বিকেলে আরেক রুপ ধারণ করে , পর্তুগাল বিএনপির আজকের এই অনুষ্ঠানকে সফল করতে যারা পরিশ্রম করেছেন সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন আগামী দিনের পর্তুগাল বিএনপির নেতৃত্ব আপনারা যারা পর্তুগালে বসবাস করেন তারাই দিবেন। যারা স্বপরিবারে লন্ডন বসবাস করেন আমি, এবং সদস্য সচিব সহ তারা কখনো আগামী দিনের পর্তুগাল বিএনপির পূর্নাঙ্গ কমিটিতে আসতে পারবেন না, সুতরাং আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব ছায়েফ আহমেদ সুইট দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কে স্বরণ করে বলেন আজকের এই দিনটি বিএনপির নেতৃবৃন্দের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ,এই দিনটি আমরা আজকের মত আগামীতে সব সময় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করব। আজকের এই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সবার প্রতি তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান, তিনি বিশেষ ধন্যবাদ জানান পর্তুগাল সেচ্ছাসেবক দলের সিঃ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিম চৌধুরী গিলমান এর প্রতি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামীতে এভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আজমল আহমেদ বলেন পর্তুগাল বিএনপি ইউরোপের মধ্যে একটি শক্তি শালী ইউনিট , পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে পর্তুগাল বিএনপি সু-সংগঠিত আছে এবং ইন-শা-আল্লাহ আগামীতেও থাকবে, তিনি আরও বলেন যতদিন না পর্যন্ত পর্তুগাল বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি আসবে ততদিন এই কমিটির নেতৃত্বে পর্তুগাল বিএনপি পরিচালিত হবে।
পর্তুগাল বিএনপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান জামান তার বক্তব্যে বলেন আজকের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের লক্ষ্য একটাই হোক, দলের স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে দলের প্রতি সম্মান রেখেই আমাদের রাজনীতি করতে হবে , পদ পদবীর জন্য মুহুর্তের মধ্যে নিজেকে পরিবর্তন করলে দল যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হয় নিজের অস্তিত্ব ও তপমন এক সময় বিলীন হয়ে যায়। তিনি অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক, সদস্য সচিব, ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ খালেদ আহমেদ মিনহাজ কে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তাদের সু-নির্দিষ্ট পরামর্শে আজকের এই অনুষ্ঠান সফল করার জন্য। আরও বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান (শাহ জামাল) এম কে নাসির, সদস্য
শফিক চৌধুরী, বদরুল আলম, আব্দুল মতিন, তুফায়েল আহমেদ, মইনুদ্দিন মইন,আশরাফ আহমেদ,জাহেদ আহমদ,জুবেল আহমেদ, বেজা বিএনপির সভাপতি মইনুল ইসলাম, বিএনপি নেতা কাজী জুয়েল, শাহান উমর,
আলগার্ভ বিএনপি নেতা তাহির হোসেন, আবুসাইদ মাসুদ, বিএনপি নেতা ইসহাক আহমেদ,নাসির উদ্দীন,সেচ্চাসেবক দলের সিঃ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিম চৌধুরী গিলমান, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আমান,
পর্তুগাল যুবদল নেতা মাজেদ আহমেদ সামি,
আনোয়ার হোসেন শিহাব,মর্তুজ আলী,কাওসার আলম,পর্তুগাল জাসাসের সিঃ যুগ্ম আহবায়ক জাকির আহমেদ,সদস্য সচিব কাজী মইনুর।
আলোচনা সভা শেষে সকলের উপস্থিতিতে দিনটিকে আনন্দের সহীত স্বরণ রাখতে কেক কেটে একে অপরের সাথে খুশি ভাগাভাগি করেন।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন
আলী আকবর জুয়েল,সুমন আহমেদ,রানা আহমেদ, জিয়াউল হক জিয়া,রুমেল আহমেদ,মারুফ খান,সৈকত রহমান,মোঃ সুমন,রুবেল আহমেদ, সুমন তালুকদার,রামিম আহমেদ,মাহবুব আহমেদ,শরীফ তালুকদার,ইয়াসিন মুন্সি,রব্বানি মন্ডল,হাসান সাইফুল্লাহ,মাহবুবুর রহমান, দোলন মিয়া,ওহাব মিয়া,সুজন তালুকদার প্রমুখ।

ত্বকের যত্নে ভিটামিন সি: সব প্রসাধনীতে কি এর প্রয়োজন আছে?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
   
ত্বকের যত্নে ভিটামিন সি: সব প্রসাধনীতে কি এর প্রয়োজন আছে?

বর্তমান সময়ে রূপচর্চার দুনিয়ায় ভিটামিন সি একটি অত্যন্ত পরিচিত নাম। উজ্জ্বল, দাগহীন এবং বয়সের ছাপমুক্ত ত্বকের সন্ধানে অধিকাংশ মানুষ এখন ভিটামিন সি যুক্ত প্রসাধনী বেছে নিচ্ছেন। বাজারে এখন ফেসওয়াশ থেকে শুরু করে ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন পর্যন্ত প্রায় সব ধরনের স্কিনকেয়ার পণ্যের সঙ্গেই ভিটামিন সি যুক্ত থাকার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রসাধনীতেই কি এই বিশেষ উপাদানের উপস্থিতি প্রয়োজন? সত্যিই কি বেশি মাত্রায় ভিটামিন সি ব্যবহার করলে ত্বক অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো বাস্তবতা?

ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন সি ত্বকের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ত্বকের পিগমেন্টেশন বা কালচে দাগ দূর করতে সাহায্য করে এবং কোলাজেন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে, যা ত্বককে টানটান রাখতে সহায়তা করে। তবে সব প্রসাধনীতে এই উপাদান থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভিটামিন সি মূলত একটি কার্যকর অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট। এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘনত্ব বা কনসেন্ট্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি প্রতিটি প্রসাধনীতে একই উপাদান থাকতে শুরু করে, তবে ত্বকের ওপর অতিরিক্ত প্রভাব পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বাজারজাত বিভিন্ন ফেসওয়াশে ভিটামিন সি থাকাটা খুব একটা কার্যকর নয় বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। ফেসওয়াশ মূলত ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি ধোয়ার মাধ্যমেই ত্বক থেকে চলে যায়। তাই এখানে ভিটামিন সি ব্যবহারের সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বরং সিরামের মাধ্যমে ভিটামিন সি প্রয়োগ করা অনেক বেশি কার্যকর, কারণ সিরাম ত্বকে দীর্ঘ সময় থাকে এবং শোষণ হতে পারে। আবার সানস্ক্রিনের সঙ্গে ভিটামিন সি-র সমন্বয় ভালো হলেও, এটি সবার ত্বকের জন্য মানানসই নাও হতে পারে। অত্যধিক শক্তিশালী ভিটামিন সি যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহারের ফলে অনেকের ত্বকে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক পণ্য নির্বাচন করা। যাদের ত্বক তৈলাক্ত বা ব্রণ প্রবণ, তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ঘনত্বের ভিটামিন সি সিরাম ভালো ফল দিতে পারে। কিন্তু শুষ্ক বা অতি সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এটি সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা প্রয়োজন। অনেক সময় গ্রাহকরা মনে করেন, বেশি দামি বা বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে ত্বক খুব দ্রুত উজ্জ্বল হবে, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া বা হিতবিপরীত হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

পরিশেষে, রূপচর্চার রুটিনে ভিটামিন সি অন্তর্ভুক্ত করার আগে নিজের ত্বকের প্রয়োজনীয়তা বোঝা জরুরি। প্রতিটি পণ্যের পেছনে দৌড়ানোর চেয়ে, ভালো মানের একটি ভিটামিন সি সিরাম বেছে নেওয়া এবং সেটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহারের অভ্যাস করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সব প্রসাধনীতে ভিটামিন সি থাকা মানেই সেটি আপনার ত্বকের জন্য ভালো, এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক পণ্য নির্বাচনই প্রকৃত সুস্থ ও উজ্জ্বল ত্বকের চাবিকাঠি।

অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন হোম ইকোনমিকসের শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন হোম ইকোনমিকসের শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন নেছার পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজপথে নেমেছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার দুপুর নাগাদ তারা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। তবে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ এবং তাদের দাবির বিষয়ে কলেজ প্রশাসনকে সময় দেওয়ার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা ৪৮ ঘণ্টার একটি আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন। এই আল্টিমেটাম ঘোষণার পরই শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে সরে আসেন।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তারা তাদের দীর্ঘদিনের এই আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করেছেন। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা তাদের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। তাদের অভিযোগ, বর্তমান অধ্যক্ষের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, যার ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় বর্তমান অধ্যক্ষের পদত্যাগই একমাত্র সমাধান বলে তারা মনে করছেন। এই দাবিতেই গত কয়েকদিন ধরে তারা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছেন। শুক্রবারের এই সড়ক অবরোধের মাধ্যমে তারা তাদের দাবি আরও জোরালোভাবে প্রশাসনের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। পুলিশের বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা সড়ক ছাড়ার ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, এই ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে তারা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপের আশা করছেন। যদি এই সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করা না হয়, তবে তারা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কলেজের অন্য শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগের ছাপ দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান না হলে ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে, এই ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের এই আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্ররোচনায় নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখা এবং প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের লক্ষে শিক্ষার্থীরা যে আল্টিমেটাম দিয়েছেন, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। আগামী দুই দিন তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় ধস, দায় চাপালেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় ধস, দায় চাপালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। প্রযুক্তি খাতের সূচক নাসডাকের বড় দরপতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি খাত নিয়ে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আসার আশঙ্কায় শেয়ারের দামে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বৃহস্পতিবার লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, নাসডাক সূচক প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাংশের মতো হারিয়েছে, যা গত বেশ কিছু সময়ের মধ্যে অন্যতম বড় পতন। এই অস্থির পরিস্থিতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং ভোটারদের দায়ী করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সম্প্রতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় ধরনের বিজয় অর্জনের কারণেই বাজারের এই নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক এজেন্ডা এবং তাদের নীতিমালার কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থাহীনতায় ভুগছেন, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শেয়ারবাজারের এই পতনের মাধ্যমে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যেও ইঙ্গিত করেছেন যে, তাদের ভুল সিদ্ধান্তের মাসুল দিতে হচ্ছে পুরো অর্থনীতিকে। তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরপরই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, বাজারের এই অস্থিরতা কেবল রাজনৈতিক কোনো সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না, বরং প্রযুক্তি খাতের অভ্যন্তরীণ নীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপট এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নাসডাকের এই পতনের পেছনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নিয়ে যে ধরনের কড়াকড়ির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, তা বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের ওপর প্রভাব ফেলেছে। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছেন, যার ফলে সূচক বেশ খানিকটা নিচে নেমেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন সবসময়ই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার দাবি জানিয়ে আসলেও, শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক এই মন্দা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ডেমোক্র্যাটদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতিগুলো আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বর্তমান এই পরিস্থিতিতে শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। নাসডাকের এই ধসের পর অন্যান্য খাতের শেয়ারের ওপর এর কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্যে বাজারের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন। একদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, অন্যদিকে রাজনৈতিক মেরুকরণ—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারের আগামী দিনগুলো বেশ উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, হোয়াইট হাউস বা নীতিনির্ধারকরা বাজার স্থিতিশীল করতে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

সর্বশেষ
ত্বকের যত্নে ভিটামিন সি: সব প্রসাধনীতে কি এর প্রয়োজন আছে? অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন হোম ইকোনমিকসের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় ধস, দায় চাপালেন ট্রাম্প দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত: উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু সিলেটে সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে হঠাৎ অসুস্থ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রোনালদোর অনন্য কীর্তিকে অবিনশ্বর বললেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো পরিবারই সব: ক্যানসারজয়ী স্ত্রীর পাশে থেকে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেলেন টিকনার নড়াইলে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ সাইবার যুদ্ধে কিম জং উনের গোপন অস্ত্র ও বাইন্যান্স হ্যাকের নেপথ্য কাহিনী রামায়ণে সূর্পণখা চরিত্রে অভিনয় নিয়ে মুখ খুললেন রাকুল প্রীত সিং