চিজ ও কাজুর মোলায়েম স্বাদে চিকেন মালাই কাবাব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ । ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ

সন্ধ্যার নাশতা কিংবা ঘরোয়া আপ্যায়নে কাবাবের পদ বেশ মানিয়ে যায়। মুরগির মাংসের সঙ্গে চিজ, কাজুবাদাম, ঘন টক দই এবং নানা মশলার মিশেলে তৈরি চিকেন মালাই কাবাব স্বাদে সমৃদ্ধ, আর ঠিকভাবে রান্না হলে থাকে নরম ও রসালো। বাড়িতেও পরিচিত কয়েকটি উপকরণ দিয়ে এই পদ তৈরি করা যায়।

এই কাবাবের মূল উপকরণ হাড়ছাড়া মুরগির মাংস। ৫০০ গ্রাম মাংসের সঙ্গে আদা বাটা ও রসুন বাটা ব্যবহার করা হয়। চিজ, কাজুবাদাম ও ঘন টক দই মাংসে মাখানোর মিশ্রণকে স্বাদ ও ঘনত্ব দেয়; সঙ্গে থাকে নানা মশলা। উপকরণের পরিমাণ ঠিক রাখার পাশাপাশি মাংসের টুকরোগুলো যেন সমান মাপের হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা ভালো। এতে রান্নার সময় সব টুকরো প্রায় একইভাবে সেদ্ধ হবে।

প্রস্তুতির শুরুতে মুরগির মাংস পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর আদা-রসুন বাটা, দই, চিজ, কাজুবাদাম এবং পছন্দমতো মশলা দিয়ে মাংস ভালোভাবে মাখানো যায়। কাজুবাদাম বেটে মিশ্রণে দিলে তা মাংসের গায়ে সহজে লেগে থাকে। মিশ্রণটি যেন খুব পাতলা না হয়, সে জন্য দইয়ের ঘনত্ব বিবেচনা করা দরকার। উপকরণ একসঙ্গে মাখানোর পর কিছুক্ষণ রেখে দিলে মশলার স্বাদ মাংসে মিশতে পারে।

মেরিনেট করা মাংস কাঠি বা শিকে গেঁথে গ্রিল, তন্দুর কিংবা উপযুক্ত প্যানে রান্না করা যায়। রান্নার পদ্ধতি অনুযায়ী আঁচ সামলাতে হবে, যাতে বাইরের অংশ পুড়ে যাওয়ার আগেই ভেতর পর্যন্ত মাংস সেদ্ধ হয়। মাঝে মাঝে কাবাব ঘুরিয়ে দিলে তাপ সবদিকে পৌঁছায়। মাংস পুরোপুরি রান্না হয়েছে কি না দেখে নেওয়া জরুরি; শুধু বাইরের রং দেখে পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। রান্নার সময় ও তাপমাত্রা যন্ত্র এবং মাংসের টুকরোর আকারভেদে বদলাতে পারে।

চিকেন মালাই কাবাবের স্বাদে মাংসের কোমলতা, দইয়ের হালকা টকভাব, কাজুবাদামের মোলায়েম ঘনত্ব এবং চিজের সমৃদ্ধ স্বাদ একসঙ্গে কাজ করে। তাই মশলার ঝাঁজ খুব বেশি না রাখলেও পদটি স্বাদে পূর্ণ হতে পারে। তবে নিজের পছন্দ অনুযায়ী মশলার মাত্রা সামান্য কমবেশি করা যায়। নতুন করে রান্না করলে প্রথমবার অল্প পরিমাণে তৈরি করে মশলা ও লবণের স্বাদ যাচাই করা সুবিধাজনক।

গরম কাবাব সরাসরি পরিবেশন করা যায়। পাশে সালাদ, লেবু বা পছন্দের হালকা ডিপ রাখলে খাবারের সঙ্গে বৈচিত্র্য আসে। অতিথি আপ্যায়নের জন্য আগে থেকে মাংস মাখিয়ে রাখা যেতে পারে, তবে কাঁচা মুরগি নিরাপদভাবে ঠান্ডায় সংরক্ষণ করতে হবে এবং ব্যবহারের পর হাত, ছুরি ও কাজের জায়গা ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। পরিচিত উপকরণে তৈরি এই পদটি তাই ঘরোয়া নাশতার পাশাপাশি বিশেষ দিনের খাবারেও জায়গা করে নিতে পারে।

  • সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রাসেল মিয়া

প্রিন্ট করুন