যশোরে লংমার্চে দেড় লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের প্রত্যাশা এমপি গোলাম রসুলের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ । ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ

যশোর জেলায় আসন্ন লংমার্চ কর্মসূচিকে সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলাজুড়ে প্রচারণার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিশাল এক জনসমাগমের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম রসুল। তিনি জানিয়েছেন, লংমার্চে অংশ নিতে দেড় লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হবেন বলে তারা ধারণা করছেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা কার্যক্রম চলছে পুরোদমে। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে লংমার্চের সমর্থনে একের পর এক মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসব কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। প্রতিটি এলাকায় লংমার্চের গুরুত্ব তুলে ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির চেষ্টাও চালানো হচ্ছে।

প্রচারণার এই কার্যক্রম কেবল সশরীরে মিছিল-সমাবেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সংসদ সদস্যের ভাষ্যমতে, ব্যাপক প্রচারণার জন্য বিপুল সংখ্যক প্রচার সামগ্রী ছাপানো হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ লিফলেট এবং এক লাখ পোস্টার তৈরি করা হয়েছে, যা যশোর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব প্রচার সামগ্রীর মাধ্যমে লংমার্চের মূল উদ্দেশ্য এবং সময়সূচি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা হচ্ছে।

যশোরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে এই লংমার্চকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। বড় ধরনের জনসমাগম নিশ্চিত করার জন্য দলীয়ভাবে বিভিন্ন ইউনিটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এমপি গোলাম রসুল নিজে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন এবং লংমার্চের প্রস্তুতি তদারকি করছেন। তাদের দাবি, এই বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে রাজনৈতিক শক্তি ও সাংগঠনিক সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।

এদিকে লংমার্চকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। প্রচারণার এই জোরালো কার্যক্রমের ফলে জেলাজুড়ে লংমার্চের আমেজ তৈরি হয়েছে। তবে এত বিশাল জনসমাগম সামাল দেওয়া এবং কর্মসূচি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার বিষয়েও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিশেষে, সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের এই প্রত্যাশা পূরণ হলে যশোরে এটি হবে অন্যতম বড় একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি। লংমার্চের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই নেতাকর্মীদের ব্যস্ততা বাড়ছে। প্রস্তুতির এই চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত জনসমাগমের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় কি না এবং কর্মসূচিটি কতটা শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সমাপ্ত হয়।

  • সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রাসেল মিয়া

প্রিন্ট করুন