সিএমপি’র বন্দর থানা কর্তৃক বিশেষ অভিযানে গার্মেন্টস্ কর্মীকে প্রকাশ্য দিবালোকে ছুরিকাঘাতে হত্যার মূলহোতা (স্বামী) দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার
গত ইং ০৫/০৪/২০২৫ তারিখ বিকাল বেলা ভিকটিম চাঁদনী খাতুন (২২) নিজ কর্মস্থল সিইইপিজেডস্থ এভারটুবি গার্মেন্টস্ হতে পায়ে হেঁটে নিজ বাসায়
ফিরছিলেন। বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম নগরীর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর মৌজাস্থ খাজা খিজির রোড, রাউজান সুয়েটার ফ্যাক্টরীর সামনে মাহি কুলিং কর্ণার নামীয় বন্ধ দোকানের সম্মুখে পৌঁছা মাত্রই পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের স্বামী সবুজ খন্দকার (২৯) ভিকটিমের সাথে পারিবারিক কলহের জেরে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হওয়ার একপর্যায়ে কোমর হতে ছুরি বের করে ভিকটিমকে গলার বাম পার্শ্বে, মাথার ডান পার্শ্বে, ডান হাতের কব্জির উপরের অংশে উপর্যুপরি আঘাত করে ঘটনাস্থলে ছুরি ফেলে পালিয়ে যায়। মুমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত বলে ঘোষনা করে। ঘটনার পরপরই বন্দর থানার একাধিক চৌকস টিম হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে
নামে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি
ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গুপ্তচর নিয়োগের মাধ্যমে ঘাতক স্বামী সবুজ খন্দকার কে ইং ০৬/০৪/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০১.৩০ ঘটিকার সময় ৩৮ নং ওয়ার্ডের ধুমপাড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং আসামীর রক্তমাখা টি-শার্টটি জব্দ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী’কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মর্মে স্বীকার করে। এরই প্রেক্ষিতে বন্দর থানার মামলা নং-০৪, তারিখ-০৬/০৪/২৫ইং, ধারা-৩০২ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করা হয়। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫ । ৮:৪৯ অপরাহ্ণ