জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ৭ ঘণ্টার সলিডারিটি কনসার্ট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ । ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ

শুক্রবার রাতেই ঢাকার রাজধানী এলাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে একটি বিশাল সঙ্গীত মঞ্চ গড়ে তোলা হয়েছে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড নগরবাউল জেমসের নেতৃত্বে সাতটি ব্যান্ড একত্রিত হয়ে ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ শিরোনামে ৭ ঘণ্টা দীর্ঘ সঙ্গীত অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে। এই অনুষ্ঠানটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা দেশের ঐক্য ও সমন্বয়কে জোরদার করার লক্ষ্যে পরিকল্পিত।

অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য বিবৃতি অনুযায়ী, এই কনসার্টের মূল উদ্দেশ্য হল সঙ্গীতের মাধ্যমে সামাজিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধকে তুলে ধরা। তাই কনসার্টে প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন নেই; দর্শকরা বিনামূল্যে প্রবেশ করে পুরো অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে পারবেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলকে নিয়োগ করা হয়েছে।

সপ্তটি ব্যান্ডের মধ্যে নগরবাউল জেমসের পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রিয় কিছু দল অংশগ্রহণ করবে। প্রত্যেক ব্যান্ডকে প্রায় এক ঘণ্টা করে সময় দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা তাদের স্বকীয় শৈলী ও সৃষ্টিশীলতা প্রদর্শন করতে পারে। জেমসের দলটি বিশেষভাবে তার ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ও আধুনিক রক সুরের মিশ্রণ জন্য পরিচিত, যা তরুণ ও বয়স্ক উভয় শ্রোতার কাছেই জনপ্রিয়। অন্যান্য ব্যান্ডগুলোও বিভিন্ন ধারার সঙ্গীত—পপ, ফোক, রেগে—মিশ্রিত করে একটি বৈচিত্র্যময় সুরের মেলা গড়ে তুলবে।

অনুষ্ঠানের সময়সূচি অনুযায়ী, কনসার্টটি রাত ৭টায় শুরু হবে এবং পরের দিন ভোর ২টায় সমাপ্ত হবে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন থিমের গান, সামাজিক বার্তা সম্বলিত গীতিকবিতা এবং দর্শকদের জন্য ইন্টারেক্টিভ সেশন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, কনসার্টের মাঝখানে একটি ছোট বিরতি থাকবে, যেখানে স্থানীয় শিল্পী ও হস্তশিল্পী তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে, ফলে দর্শকরা সঙ্গীতের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা লাভ করবে।

এই উদ্যোগের প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। নাগরিকরা কনসার্টের মুক্ত প্রবেশের সুযোগকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্যে প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের অনুষ্ঠান শহরের সাংস্কৃতিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করবে এবং মানুষকে একত্রিত করবে। সরকারও এই ধরনের উদ্যোগকে ভবিষ্যতে আরও বাড়িয়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে সঙ্গীত ও শিল্পের মাধ্যমে জাতীয় সংহতি আরও দৃঢ় হয়।

  • সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রাসেল মিয়া

প্রিন্ট করুন