মিরপুরের কালশী এলাকায় আজ সকালে এক পুলিশ কর্মকর্তা হঠাৎ কয়েকজনের গোষ্ঠীর মুখোমুখি হন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক নারী প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা অনুযায়ী, পুলিশকে প্রথমে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় এবং পরে এক ব্যক্তি তার বন্দুক ছিনিয়ে নেয়। বন্দুকটি রাস্তায় নিক্ষেপ করা হয় এবং দ্রুতই গোষ্ঠীর সদস্যরা তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে।
আক্রমণকারী দলটি পুলিশকে ঘিরে ধরে, তার ওপর ধারাবাহিকভাবে আঘাত হানে। নারী জানান, “হেরা পুলিশডারে মাটিত ফালাই দিসে। একজনে বন্দুক ছিনাই নিয়া রাস্তায় ফিইক্কা মাইরা ফালাই দিসে। পরে অনেকে মিইলা ইচ্ছামতো পিডাইসে।” এই বর্ণনা থেকে স্পষ্ট যে, পুলিশকে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং তার অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া দুটোই ঘটেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য নাগরিকদের মতে, আক্রমণকারী গোষ্ঠীটি হঠাৎই গতি বাড়িয়ে পুলিশকে ঘিরে নেয় এবং কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে তাকে মারধর করে। কিছু সময়ের মধ্যেই গোষ্ঠীর কিছু সদস্য পুলিশকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং তার পরের সময়ে অন্যরা তার ওপর আঘাত চালিয়ে যায়। এই সময়ে পুলিশকে রাস্তায় নিক্ষিপ্ত বন্দুকটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলেও গোষ্ঠীর আক্রমণ তীব্র হওয়ায় তারা নিরাপদে দূরে সরে যায়। পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায় যে, আহত কর্মকর্তার জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। গোষ্ঠীর সদস্যদের সনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ দল দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই ধরনের হিংসাত্মক আক্রমণ সমাজে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, তাই কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ । ১:১৪ অপরাহ্ণ