লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীর পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ । ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য লিভার সিরোসিস ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন শিক্ষক সাধন চক্রবর্তী। তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়ায় জরুরিভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, তার সুস্থতার জন্য দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপন বা লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা অপরিহার্য। তবে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা প্রক্রিয়ার জন্য যে বিশাল অংকের অর্থের প্রয়োজন, তা তার পরিবারের পক্ষে জোগান দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।

চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধন চক্রবর্তীর লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার প্রয়োজন। শিক্ষকতা পেশার মানুষ হিসেবে তার উপার্জিত অর্থ ও জমানো সম্পদ দিয়ে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ মেটানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। উন্নত চিকিৎসা পেলেই তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন বলে চিকিৎসকরা আশা প্রকাশ করেছেন, কিন্তু অর্থের অভাবে সেই পথ রুদ্ধ হয়ে আছে।

সাধন চক্রবর্তী নিজেই বর্তমানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও মানবিক হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সহায়তার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। একটি শিক্ষাজীবন উৎসর্গ করা মানুষটি আজ নিজেই বাঁচতে সাহায্যের আশায় দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যদি সামর্থ্য অনুযায়ী তার পাশে দাঁড়ান, তবে হয়তো এই সংকটের সমাধান সম্ভব হবে। দেশের বিত্তবানদের ছোট ছোট অনুদানই হয়তো একটি জীবন বাঁচানোর বড় অংকের অর্থের জোগান দিতে পারে।

তার এই করুণ পরিস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকেও দেশের সকল হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীর চিকিৎসা ও তার ভবিষ্যৎ জীবনের নিশ্চয়তার জন্য যে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন, তা মানবিক দিক থেকে অত্যন্ত জরুরি। কোনো দয়া বা অনুদানই একজন মানুষকে নতুন জীবন উপহার দিতে পারে, তাই সেই আশাতেই তিনি ও তার পরিবার সকলের কাছে হাত পেতেছেন।

এই মুহূর্তে শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীর জন্য কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, প্রয়োজন সবার আন্তরিক দোয়া ও সমর্থন। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যদি সমাজের সচেতন ও বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসেন, তবেই হয়তো এই মেধাবী শিক্ষককে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। শিক্ষকতা মহান পেশার এই মানুষটির জীবন রক্ষার্থে বিত্তবান ও দাতব্য সংস্থাসমূহের দ্রুত সাড়া পাওয়া এখন সময়ের দাবি। তার পরিবার আশা করছে, মানুষের মানবিক আবেদনে সাড়া মিলবে এবং তারা এই কঠিন পরীক্ষায় জয়ী হবেন।

  • সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ রাসেল মিয়া

প্রিন্ট করুন