খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশনে প্রয়োজনীয় প্লাটফর না থাকায় যাত্রীদের পোয়াতে হয় চরম দুর্ভোগ

মুখলেছুর রহমান হীরা, বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশনে প্রয়োজনীয় প্লাটফর না থাকায় যাত্রীদের পোয়াতে হয় চরম দুর্ভোগ
যতটুকু জানা যায় ১৯৩০-৩১সালে সম্পদের প্রাচুর্যে  মুগ্ধ হয়ে  অত্র এলাকায় ব্রিটিশ সরকার  রেললাইন্স স্থাপন করেন। উক্ত স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরেই  ঐতিহ্য বহন করে আসছে। আগে বারহাট্টা থানা বর্তমান  উপজেলায়  বিভিন্ন ইউনিয়ন গুলোতে  কোন রাস্তাঘাট এবং যানবাহন ছিল না  তখন পায়ে হেঁটে বারহাট্টা স্টেশনে এসে অনেক যাত্রী রেলগাড়িতে চলাচল করতো। ওই সময় এই এলাকার সকল শ্রেণীর  লোকজনের একমাত্র চলাচলের  বাহন ছিল রেলগাড়ি।
বারহাট্টা  যদিও উপজেলা  কিন্তু উন্নয়নের দিকে  এটি একটি উন্নত গ্রাম। উন্নয়নের দিকে  বারহাট্টা উপজেলা অনেক  পিছিয়ে। বারহাট্টা শহরটি এক গলির শহর ।
শহরের উত্তর পাশে কংস নদী  আর দক্ষিণে  রেললাইন
এই দুইয়ের মাঝে বারহাট্টা বাজার। বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ  ও বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশন পাশাপাশি অবস্থিত।এছাড়াও  বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার  ফেডারেশন  এর  নেত্রকোনা জেলার  একমাত্র সদস্য কংস থিয়েটার  বারহাট্টা। বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশন  ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ  এর মাঝখানে  অবস্থিত।  অত্র এলাকার মানুষের  সময় কাটানোর মতো   কোন জায়গা না থাকায় সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে কিছু মানুষ এখনোও বারহাট্টা স্টেশনে এসে চায়ের স্টল গুলোতে চা খায়  সময় কাটায়।
কারণ অন্যান্য স্টেশনে তুলনায় পরিবেশগত দিক থেকে  বারহাট্টা স্টেশন  অনেক সুন্দর ও নিরাপদ।
ব্রিটিশ সরকার রেললাইন্স স্থাপনের পর আর রেললাইন এবং বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশনের  তেমন কোন সংস্কার হয়নি। ২০০৯-২০১০ সালের দিকে  ব্রিটিশ সরকারের সেই পুরনো লাল ইটের নকশায় বানানো  এক রুম বিশিষ্ট বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশনের ঘরটি  ভেঙে  নতুন নকশায় স্টেশন  ও রেল লাইন  সংস্কারের কাজ করে। স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উপরে পূর্ব পাশে একটি বৃদ্ধ জাম গাছ  এবং পশ্চিমে বিশাল আকারের একটি বৃষ্টি গাছ থাকায়  প্লাটফর্মের পুরোটা জুড়ে  উপরের যাত্রী ছাউনি করা সম্ভব হয়নি। যার ফলে  দুই দিকে প্রায় বর্তমান প্লাটফর্মের অর্ধেক অংশের বেশি যাত্রী ছাউনি বিহীন  অবস্থায় থেকে যায়।  তাই বৃষ্টি এলেই  স্টেশনের  অফিস রুম ও অল্প যাত্রীবিহীন ছাউনির নিচে  মানুষ গজা -গাজি করে  আশ্রয় নেয়। একটু বৈরী আবহাওয়া  যাত্রীরা নিরাপদে  স্টেশনে অবস্থান করতে পারে না।
বর্তমানে হাওর এক্সপ্রেস  ও  মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ঢাকা গামী  দুটি আন্তঃনগর  ট্রেন চলাচল করে। ঢাকা গামী  মালিকানাধীন  কমিউটার ট্রেন  চলাচল করে। দীর্ঘদিন যাবত ইঞ্জিন সমস্যার কারণে লোকাল ট্রেনগুলো   বন্ধ আছে। এতে  এলাকার  ব্যবসায়ী, ছাত্র-ছাত্রী,   চাকুরীজীবী  সহ-সাধারণ মানুষ মারাত্মক সমস্যা আছেন। এছাড়াও  ১৪ বগীর
আন্তঃনগর ট্রেনের ৬ টি বগীর পর সবগুলো বগি  প্লাটফর্মের বাহিরে থাকে। এতে যাত্রী সাধারনের ট্রেনে উঠা-নামার সমস্যা সৃষ্টি হয়।  বিশেষ করে  মহিলা যাত্রীদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা বেশি সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির সময়  প্রায়ই যাত্রীদের পরে যেতে  দেখা যায়।  বারহাট্টা উপজেলা সহ
পার্শ্ববর্তী আটপাড়া, মধ্যনগর, ও কলমাকান্দা  উপজেলার  অনেক যাত্রী  বারহাট্টা রেলস্টেশন কে  চলাচলের জন্য  ব্যবহার করে থাকেন। বারহাট্টা উপজেলার
নির্বাহী কর্মকর্তা খবিরুল আহসান সরকারি বরাদ্দ হতে
বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রী ছাউনিতে  সিলিং ফ্যানের   ও  পুরু স্টেশন এলাকায়  সিসি ক্যামেরা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতি রেজি নং ৮৪০/চাঁদ ০৭ এর আগামী ৩ বছরের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের বড় স্টেশন ভূঁইয়াঘাট নিজস্ব কার্যালয়ে কমিটি গঠন এর পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতি করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম মিজির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা সোলেমান প্রদানীয়া, মঞ্জিল হক খান, তফিল দেওয়ান, রহিম মিজি, সাবেক প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন ও উপদেষ্টা মনির প্রধানীয়া।

আলোচনা সভা শেষে সমিতির সকল মাঝিদের সর্বো সম্মতিক্রমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়া, সহ সভাপতি জয়দল প্রদানীয়া, সাধারণ সম্পাদক, নিজাম মিজি, যুগ্ম সম্পাদক শেকুল মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন প্রদানীয়া ও প্রচার সম্পাদক বাসার দেওয়ান।

চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক
সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) এর চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া (৫১) আর নেই। তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যু সংবাদে পুরো সোনালী ব্যাংক পরিবারসহ চাঁদপুরের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সোনালী ব্যাংক সিবিএ’র বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন এবং সহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলির জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা এবং সংগঠনী কাজে আন্তরিকতার কারণে তিনি সহকর্মী ও পরিচিত মহলে ছিলেন জনপ্রিয়।

তার মৃত্যুতে সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, “মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া ছিলেন সংগঠনের এক নিবেদিত প্রাণ। তার মতো একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং অঙ্গীকারবদ্ধ নেতার মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

এদিকে, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও মরহুমের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। সবাই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

ইফতি হোসেন ,চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে হযরত সুলতানুল আরেফিন বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন—

  • শিল্পী আবুল হাশেম আজাদ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) ও সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ নুন নবী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক, তাঁতীদল চট্টগ্রাম মহানগর

  • ফয়সাল মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল

  • মোর্শেদ আলম, সদস্য সচিব, বায়েজিদ থানা তাঁতীদল

  • তারেক সিদ্দিকী মুন্না, সাবেক সদস্য, বায়েজিদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল

  • মোঃ ওসমান গনি, নেতা, বায়েজিদ থানা যুবদল

  • তোফাজ্জল হোসেন সিদ্দিকী, নেতা, থানা শ্রমিকদল

  • গোলাম রাব্বানী ও আমিনুল ইসলাম মামুন

  • মোঃ ইফতি হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর জিসাস

  • মোহাম্মদ বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর জিসাস

এছাড়া মহানগর ও বিভিন্ন থানা ইউনিট থেকে আরও নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষও মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।